Sunday, March 25, 2018

রক্তকরবীর গন্ধেভেজা কবি সুব্রত রায়চৌধুরী




কবি সুব্রত রায়চৌধুরী একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক ও গল্পকার। বর্তমানে তিনি বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদের কোষাধ্যক্ষ এবং বিগত প্রায় ষোলো বছর ধরে বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদের কার্যকরী সমিতির সদস্য ছিলেন। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে নিয়মিত লেখালেখি করে চলেছেন। সুদীর্ঘ চব্বিশ বছর ধরে 'তথ্যসূত্র' নামক একটি গবেষণাপত্রের সম্পাদনা করে চলেছেন। ছাত্রছাত্রীদের কাছে তিনি প্রিয় শিক্ষক, ফ্রেন্ড-ফিলোসফার-গাইড। তাদের ভালবাসেন নিজের সন্তানের মতো। মুখে সব সময় দেখা যায় স্বভাবসুলভ প্রসন্নতা। 

কবি সুব্রত রায়চৌধুরী

পরিচিত জনের বিপদের খবরে ছুটে যান তাদের বাড়িতে। পাশে থেকে সাহায্য করেন সাধ্যমতো। বহু মানুষকে সাহায্য করেন আড়াল থেকে অথচ কখনো কাউকে জানতে দেন না। নিজের আদর্শ ও কর্মে ব্রতী থাকেন সর্বদা। অসম্ভব কাজ পাগল এই মানুষটির মধ্যে আছে আকাশের মতো বিশাল মন সেই মনটি দিয়েই তিনি পরিচিতজনকে ঘিরে থাকেন সর্বদা। কোনো মানুষকে খালি হাতে ফেরান না কখনো। প্রচারবিমুখ, নিরহংকারী, অমায়িক এই মানুষটি ছাত্রছাত্রীদের কাছে নয়নের মণি।

  কবি সুব্রত রায়চৌধুরীর জন্ম (৮ এপ্রিল, ১৯৬০) পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে। মা বিশিষ্ট লেখিকা সবিতা রায়চৌধুরী। বাবা সত্যপ্রকাশ রায়চৌধুরী কর্মরত ছিলেন রাজ্যসরকারের পুলিশ ওয়্যারলেস বিভাগে।


সেই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের নানা প্রান্তে তাঁকে বদলি হতে হয়েছে। কখনো জলপাইগুড়ির জয়গাঁ থেকে মেদিনীপুর। সেখান থেকে কোচবিহার, আবার কখনো নদিয়ার কৃষ্ণনগর থেকে কলকাতা— ছোট থেকেই পথকে সঙ্গী করে বড়ো হয়েছেন বাবা-মা'র আদরের গৌতম (সুব্রত)। ১৯৬৫ থেকে স্থায়ীভাবে নববারাকপুরের পশ্চিম মাসুন্দায় বুড়ির বাড়ি অঞ্চলের গ্রাম্য পরিবেশে বড়ো হয়ে উঠতে থাকেন।


হতেখড়ি বাবার কাছে হলেও ১৯৬৫তেই পাঁচ বছর বয়সে মাসুন্দা ফ্রি প্রাইমারী স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন। এর পাশাপাশি বাড়ির কাছে পল্লীমঙ্গল প্রাথমিক বিদ্যালয়েও কিছুদিন শিক্ষার পাঠ নেন। এর দু-এক বছর পর সেকালের অভিজাত কিশলয় বিদ্যাভবনে ভর্তি হন। এখান থেকেই প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ করে উচ্চশিক্ষার জন্য যান নববারাকপুর কলোনী উচ্চ বালক বিদ্যালয়ে। ছোটবেলা থেকেই তিনি পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। 

      কিশোর বয়স থেকেই দেখেছেন প্রবাসী বাবার অবর্তমানে দারিদ্রের সাথে লড়াই করা মা সবিতা রায়চৌধুরীর কঠোর জীবন সংগ্রাম। দেখেছেন দু-দুটো যুদ্ধের পর (চিন-ভারত যুদ্ধ ১৯৬২ ও ভারত-পাক যুদ্ধ ১৯৬৫) অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত বাংলার খাদ্য আন্দোলন। চরম খাদ্য সংকটের দিনে রেশন দোকানে বা লঙ্গরখানার লাইনে দাঁড়িয়ে বহু মানুষের যন্ত্রণাকে উপলব্ধি করেছেন।


দেখেছেন ছাত্রজীবনে নকশালবাড়ি আন্দোলনের রক্তাক্ত দিনগুলি। আবার ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় ওপার বাংলা থেকে আগত অসংখ্য নরনারীর মিছিল দেখে বিচলিত হয়েছেন। এভাবেই এল ১৯৭৬ সাল। মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হলেন দমদম মতিঝিল কলেজে। ১৯৮১-তে মতিঝিল কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সসহ বি. এ পাশ করে ভর্তি হন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে।

      বাড়িতে প্রতি সন্ধ্যায় মায়ের মুখে শুনতেন রামায়ণ, মহাভারত ও ভাগবত পাঠ। পাঠশেষে মা সবিতাদেবীর সাথে গভীর রাত পর্যন্ত সাহিত্য চর্চায় মগ্ন থাকতেন। দেশি-বিদেশি বহু কবি সাহিত্যিকদের জীবন ও রচনা নিয়ে চলত নানা আলোচনা। জীবনের প্রথম আঘাতটা আসে এই সময়। ১৯৮১-র ১৫ জানুয়ারি চলে গেলেন দিদিমা কিরণশশী মিত্র।


এই আঘাত বি. এ পাশ করা সদ্য যুবক সুব্রত রায়চৌধুরীর মনোজগতে মৃত্যু সম্পর্কে তৈরি হয় নানা প্রশ্ন। যে প্রশ্নের উত্তর তিনি খুঁজে চলেছেন আজীবন। পরবর্তীকালে তাঁর নানা কবিতায় দেখছি মৃত্যুকে তিনি উপলব্ধি করছেন নানাভাবে, নানা আঙ্গিকে। দিদিমার বিয়োগব্যথা হয়তো কিছুটা প্রশমন হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত প্রাঙ্গণে গিয়ে। দীর্ঘ তিন বছরের একাকীত্বময় ছাত্রজীবন কাটিয়ে এসে এখানে তিনি পেলেন সাহিত্যচর্চার উপযুক্ত পরিবেশ। ছাত্রজীবনে মাস্টারমশাই হিসাবে পেয়েছেন অধ্যাপক যতীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, ড. দেবীপদ ভট্টাচার্য, ড. সুরেশ মৈত্র, ড. চিত্তরঞ্জন ঘোষ, কবি শঙ্খ ঘোষ, কবি আলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত, কথাসাহিত্যিক অভ্র রায়, ড. পিনাকেশচন্দ্র সরকার, ড. তপোব্রত ঘোষ প্রমুখ পণ্ডিত ব্যক্তিদের। এর মাঝেই নিউব্যারাকপুর গোপালচন্দ্র মেমোরিয়াল কলেজ অব এডুকেশন থেকে ১৯৮৫-তে বি. এড পাশ করেন। তারপর আবারও গবেষণাকর্মে নিযুক্ত হন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে।


আজীবন মার্কসীয় দর্শনে বিশ্বাসী এ মানুষটির গবেষণার বিষয় ছিল 'বাঙালির সাম্যবাদী আদর্শে দীক্ষা এবং গোপাল হালদার'। তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন প্রখ্যাত বিভূতি গবেষক ড. সুনীলকুমার চট্টোপাধ্যায়। পরীক্ষক ছিলেন ভাষাচার্য ড. সুকুমার সেন। গবেষণা করতে করতেই ১৯৮৭-র ফেব্রুয়ারি মাসে কিছুদিন বিদ্যাসাগর কলেজে অধ্যাপনা করেন। এর মাস খানেক পর ১৯৮৭-র ১৪ মার্চ বিরাটীর মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠে স্থায়ীভাবে অধ্যাপনার পেশায় নিযুক্ত হন। অতিথি অধ্যাপক হিসাবে অধ্যাপনা করেছেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। বর্তমানে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিথি অধ্যাপক হিসাবে যুক্ত আছেন। আমন্ত্রিত বক্তা হিসাবে আমন্ত্রিত হয়েছেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আলোচনা সভায়। বক্তৃতা দিয়েছেন আলিগড় মুসলিম ইউনিভারসিটি, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদের মতো প্রতিষ্ঠানে। দিয়েছেন হরপ্রসাদ  শাস্ত্রী স্মারক বক্তৃতা, জন্ম শতবর্ষে গোপাল হালদার স্মারক বক্তৃতা।

      বিরাটী মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনার সাথে যুক্ত আছেন সুদীর্ঘ বত্রিশ বছর। ছেলেমেয়েদের প্রকৃত মানুষ করে গড়ে তুলতে চেয়েছেন। বন্ধুর মতো উৎসাহ দিয়েছেন ছাত্রছাত্রীদের মৌলিক সাহিত্যচর্চায়। এমন একটা সময় ছিল যখন বিরাটী কলেজের ১২, ১৪ ও ১৬ নম্বর ঘর ভরে উঠতো পড়ুয়াদের কবিতা ও গানে। ছেলেমেয়েদের সামাজিক মন গঠনের পাশাপাশি তিনি শিখিয়েছেন যূথবদ্ধতার শিক্ষা। একবার পশ্চিমবঙ্গের নানা প্রান্তে হল ভয়াবহ বন্যা। হাজার হাজার মানুষ বিপন্ন অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। কবি সুব্রত রায়চৌধুরী সেদিন ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ত্রাণ সামগ্রী সংগ্রহ করে পৌঁছে গেছেন দুর্গত মানুষদের কাছে। ছাত্রছাত্রীরা সামাজিক দায়িত্ব ও কর্তব্যের শিক্ষা এভাবেই পেয়েছে পেয়েছে প্রিয় মাস্টারমশাই সুব্রত রায়চৌধুরীর কাছে। এই সামাজিক দায়িত্ব মেটাতেই নানা প্রতিবাদী আন্দোলনে যুক্ত হয়ে কলকাতার রাজপথে মিছিলে হেঁটেছেন বহুবার। 

      এর মাঝেই চলছিল বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখালিখি। সুব্রত রায়চৌধুরীর প্রথম প্রেম কবিতা। কবিতা দিয়েই সাহিত্যচর্চায় হাতেখড়ি। তবে গল্পকার হিসাবেই সুব্রত রায়চৌধুরীর আত্মপ্রকাশ। একসময় বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়মিত গল্প লিখতেন। আন্তর্জাতিক যুব উৎসবে গল্পকার ও প্রাবন্ধিক হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছেন আশির দশকে। পেয়েছেন শ্রেষ্ঠত্বের সম্মান। গল্পটির নাম ছিল 'সতাইয়ের আত্মদর্শন'। ১৯৯০-এর ফেব্রুয়ারি মাসে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন তাপসী বসুর সঙ্গে।


১৯৯১-এর ডিসেম্বর মাসে এক শীত সন্ধ্যায় নববারাকপুর বইমেলায় প্রকাশিত হয় প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'কোমল ক্যাকটাস'। এরপর থেকে একে একে প্রকাশিত হয় এগারোটি কাব্যগ্রন্থ, বারোটিরও বেশি সম্পাদিত প্রবন্ধগ্রন্থ। কবিতা পাঠের জন্য আমন্ত্রিত হয়েছেন বিশ্ব বাংলা সাহিত্য উৎসব ও আন্তর্জাতিক কবিতা পাঠের আসরে। সম্মানিত হয়েছেন বেশ কিছু পুরস্কারে। তিনি শাক্য সেন এবং গৌতম সান্যাল ছদ্মনামেও লিখে থাকেন। চর্যাপদের দুরূহ পদগুলির আশ্চর্য ভাবানুবাদে মগ্ন ছিলেন বহুদিন। সংকলনটি 'জ্যোৎস্নাবাড়ি' নামে প্রকাশিত হয়েছে।



      কবির একমাত্র সন্তান সুকন্যা (বকুল) রায়চৌধুরী জন্ম ১৯৯৩-এ, আর ১৯৯৬-এ প্রকাশ পেল 'তথ্যসূত্র' গবেষণাপত্র। সুব্রত রায়চৌধুরী দীর্ঘ চব্বিশ বছর ধরে এ পত্রিকাটি সাফল্যের সঙ্গে সম্পাদনা করে চলেছেন । পরবর্তীকালে এ পত্রিকার সম্পাদনায় অন্যান্য অনেকের সঙ্গে তাপসী রায়চৌধুরী ও সুকন্যা রায়চৌধুরীও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন।

 বাংলা লিটল ম্যাগাজিন জগতে 'তথ্যসূত্র' পত্রিকা আজ একটি বিশিষ্ট নাম। এ পত্রিকার 'সার্ধশতবর্ষে বিপিনচন্দ্র পাল', 'বাংলা ও বাঙালি সমাজে পঞ্জিকা', 'প্রয়াণকথা স্মরণকথা', 'বাঙালি গীতিকার', 'স্বাধীনতাপূর্ব বাঙালির কারাবাসের কথা'-র মতো সংখ্যাগুলি পাঠক সমাজে সাড়া ফেলেছে।



      সদাপ্রসন্ন এই মানুষটি ব্যক্তিজীবনে আঘাত পেয়েছেন অনেক। নিকট আত্মীয়েরা অনেকেই চলে গেছেন। প্রিয়জনের বিয়োগব্যথায় ব্যথিত হয়েছেন বার বার। সমস্ত বেদনা তিনি অর্পণ করেছেন কবিতার কাছেই। কবিতাই মানুষটির একমাত্র আশ্রয়স্থল।



সুব্রত রায়চৌধুরীর গ্রন্থপঞ্জি

প্রকাশকাল       কাব্যগ্রন্থ                            প্রকাশনী

১৯৯১         কোমল ক্যাকটাস          অতএব প্রকাশনী
১৯৯৪         একাকী নির্জনে             অতএব প্রকাশনী
১৯৯৬         বৃষ্টি দিয়ে যা                             ওয়ানটাচ
২০০২         নীলখাম                                      দুরবিন
২০০৪         মৃত্যু আঁকে পথ                           অহর্নিশ
২০০৬         প্রিয় এখন প্রবাসে                  আকাশদীপ
২০১১         করতোয়া নদী                           পত্রলেখা
২০১৪         বুটিকের কাজ                           পত্রলেখা
২০১৪         প্রিয় ২৫                                   শব্দহরিণ
২০১৫         লাল উপাসনা                             তথ্যসূত্র
২০১৭         মেঘ রঙের ওড়না                        তথ্যসূত্র
২০১৮         জ্যোৎস্নাবাড়ি                              তথ্যসূত্র
২০১৮         প্রিয় এখন প্রবাসে (২য় সং.)   আকাশদীপ



প্রকাশকাল       প্রবন্ধগ্রন্থ                           প্রকাশনী

১৯৯৫   কথাসাহিত্য : প্রসঙ্গ ও অনুষঙ্গ          ওয়ানটাচ
১৯৯৭   গোপাল হালদার : প্রসঙ্গ ত্রিদিবা       ওয়ানটাচ
২০০২   শিকড়ের সন্ধানে                                  প্রশিক
২০০৭   কথাসাহিত্য : মন্বন্তরের দিনগুলিতে
পুস্তক বিপণি
         (ইউ. জি. সি-র অর্থানুকূল্যে সম্পন্ন গবেষণাপত্র)
২০০৮   বিপিনচন্দ্র পাল : সাহিত্য ও জীবনভাবনা
পত্রলেখা
(ইউ. জি. সি-র অর্থানুকূল্যে সম্পন্ন গবেষণাপত্র)
২০১২   উনিশের কবি কবিতার ভোর         প্রজ্ঞাবিকাশ
২০১২   অঘোরনাথ গুপ্ত : সাহিত্য সাধক
                                      চরিতমালা 
বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষৎ
২০১৪   দুই অলিন্দে রবীন্দ্রনাথ                      পত্রলেখা
২০১৫   রাজপুত জীবনসন্ধ্যা :
একটি নতুন পাঠ                     প্রজ্ঞাবিকাশ

২০১৭   অশ্রুকণা : শোককাব্যের স্বরলিপি              প্রজ্ঞাবিকাশ
২০১৮       উনিশ শতক গবেষণা গ্রন্থমালা-১
গিরিন্দ্রমোহিনী দাসী                     তথ্যসূত্র
২০১৮       সাহিত্য সংস্কৃতির বিবর্তনে 
বাংলা ও বাঙালি           প্রজ্ঞাবিকাশ



প্রকাশকাল      সম্পাদিত গ্রন্থ                     প্রকাশনী

১৯৯৪    প্রসঙ্গ গোপাল হালদার         অতএব প্রকাশনী
১৯৯৬    বাংলা কথাসাহিত্যে মন্বন্তর অতএব   প্রকাশনী
১৯৯৬    প্রসঙ্গ জীবনানন্দ                                 বসুশ্রী
১৯৯৮    প্রসঙ্গ তারাশঙ্কর                  অতএব প্রকাশনী
২০০৫    ভাওয়ালের কবি
 গোবিন্দচন্দ্র দাস          মুখার্জী পাবলিকেশন
২০১০    মতান্তরে মনান্তরে রবীন্দ্রনাথ            পত্রলেখা
২০১১    রবীন্দ্রনাথের মাস্টারমশাই                  তথ্যসূত্র
২০১১    প্রয়াণকথা স্মরণকথা                       পত্রলেখা
২০১৪    সত্তর বৎসর
(বিপিনচন্দ্র পালের আত্মজীবনী)      পত্রলেখা
২০১৪    আত্মবিরোধী রবীন্দ্রনাথ                     তথ্যসূত্র
২০১৪    ঠাকুরবাড়ির বলেন্দ্রনাথ                     তথ্যসূত্র
২০১৫    নবনির্মাণে চর্যাপদ                             তথ্যসূত্র

যেসব পত্রপত্রিকায় লিখেছেন তার মধ্যে কয়েকটি :
সাহিত্য-পরিষৎ পত্রিকা                                    অনুষ্টুপ
পরিচয়                                                          হিন্দোল
অভিযান                                                      অগ্রবীজ
সাহিত্য ও সংস্কৃতি                                             ইসক্রা
অতএব ভাবনা                                                  পুনশ্চ
ঈশান                                                      তবু একলব্য
দিবারাত্রির কাব্য                                     এবং সংস্কৃতি
কোরক                                         সাহিত্যের অন্তঃস্বর
অহর্নিশ                                                           আনক
তথ্যসূত্র                                                       শব্দহরিণ

বৃত্তি ও সম্মাননা :

২০০৩-২০০৫                        ইউ. জি. সি গবেষণা বৃত্তি
২০০৯-২০১১                        ইউ. জি. সি গবেষণা বৃত্তি
১৯৯৬                                                 নবরত্ন পুরস্কার
২০০৬                     সাহা টেক্সটাইল গুণিজন সম্মাননা
২০০৯                                          খবর ৩৬৫ সম্মাননা
২০১৪                                       নগরের কথা সম্মাননা
২০১৪                                              অহর্নিশ সম্মাননা
২০১৪                 আজীবন অধ্যাপনা ও সাহিত্যকর্মের 
জন্য সম্মানানা
(প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী, বাংলা বিভাগ,
মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ)

২০১৮                           নবারুণ ভট্টাচার্য স্মৃতি সম্মান                              (নিবেদনে সাহিত্যের অন্তঃস্বর ও
আনক পত্রিকা)
২০১৮                                    অজিত সাহিত্য পুরস্কার

কৌশিক গাঙ্গুলির ছবি সিনেমাওয়ালা

সুশান্ত ঘোষ কৌশিক গাঙ্গুলির ছবি বরাবরই নতুন কিছু ভাবায়। পথ দেখায় নবনির্মাণের। কখনোবা এমন কিছু পথে নিয়ে গিয়ে দর্শকদের ছেড়ে দেয় যে প...